নতুন রূপ ফেলনা জিনিসে - Pirojpur News | পিরোজপুর নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

সর্বশেষ খবর

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Tuesday, December 15, 2020

নতুন রূপ ফেলনা জিনিসে


বাড়িতে অনেক জিনিস পড়ে থাকে ঘরের এক কোণে। নতুন নকশা দিলে ঘরের কোণে পড়ে থাকা জিনিসেই কিন্তু সেজে উঠতে পারে ঘরের কোণ।

বাসাবাড়িতে এমন অনেক জিনিসই পড়ে থাকে যেগুলো হয়তো কোনো কাজেই লাগে না আমাদের। এই ধরুন না যেমন কাঠের জলচৌকি বা টুল, শহুরে জীবনে এগুলোর ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। অনেকের বাড়িতেই এসব জিনিস দেখা যায় পড়ে থাকে ঘরের এক কোণে। তবে একটু বুদ্ধি খাটালে এই ঘরের কোণে পড়ে থাকা জিনিসেই কিন্তু সেজে উঠতে পারে ঘরের কোণ।

যেমনটি সাজিয়েছেন নওরিন জাহান। ‘বাবা নিজ হাতে বানিয়ে দিয়েছিল জলচৌকিগুলো। কোনো কিছু কাটতে হলে সেসবে বসে কাজ করতাম। জলচৌকিগুলো একসময় বেশ পুরোনো হয়ে যাওয়ায় তার স্থান হয়ে যায় বাসার স্টোররুমে।’ কিন্তু নওরিন যে ভালোবাসেন সৃজনশীলতায় ঘর সাজাতে। তাই কিছুদিন পরপরই ঘরের ভেতরে থাকা জিনিসের অদলবদল ঘটান। আবার কখনো–বা ঘরে নতুনত্ব আনতে রাঙিয়ে তোলেন পুরোনো কোনো জিনিসকে। এই ভাবনাগুলোই পুরোনো জলচৌকিগুলো রাঙাতে কাজে লাগালেন।


ফোক আর্ট বা রিকশা পেইন্ট এখন বেশ জনপ্রিয়। আপনার আঁকার হাত যদি ভালো থাকে তবে জলচৌকি বা টুলেও করতে পারেন এমন পেইন্টিং। আবার কাঠের তৈজস অনেকে ব্যবহার করে থাকেন উজ্জ্বল রঙের। তাও আনে এক নতুন ভাষা, রং করার পদ্ধতিটা জানালেন নওরিন জাহান।

যে আসবাব রাঙাবেন সেটা প্রথমেই শিরীষ কাগজ দিয়ে ভালো করে ঘষে নিন। এতে কাঠ বেশ পুরোনো হয়ে গেলে যে চলকা ওঠা ভাব আসে তা দূর হয়। এবং উপরিতল বেশ মসৃণ হয়ে ওঠে। যে কারণে রংটা বসে ভালো। এবার রং করার আগে কাঠের টুল বা জলচৌকিতে কালার কোটিং করে নিতে হবে। কালার কোটিংয়ের জন্য অ্যাক্রামিন বা এনামেল পেইন্টের ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই অ্যাক্রিলিক পেইন্টের ব্যবহার করে থাকেন। তবে এটা অনেক ব্যয় সাধ্য। কালার কোটিংয়ের পর আসবাবে যে ড্রইংটি করবেন তা পেনসিল দিয়ে একে নিতে পারেন। এবার আবারও অ্যাক্রামিন বা এনামেল পেইন্ট দিয়ে পছন্দমতো অঙ্কনচিত্রে রাঙিয়ে নিতে পারেন টুলটি।


এদিকে পছন্দসইভাবে জলচৌকি রাঙানোর পর কড়া রোদে দুই থেকে তিন দিন তা শুকিয়ে নিতে হবে। এবার পেইন্টিংয়ে উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ক্লিয়ার বার্নিস স্প্রে বা ট্রান্সপারেন্ট স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। রং আর আসবাবের দোকানে পাওয়া যাবে এসব স্প্রে।

জেনে তো নিলেন সহজেই জলচৌকি রং করার পদ্ধতির কথা। এবার তাহলে জেনে নিই কীভাবে অন্দরসজ্জায় ব্যবহার করবেন জলচৌকিটি। ঘরের কোণগুলো ব্যবহার করতে পারেন এই জলচৌকি। চাইলে এর ওপরে কাঁসার গ্লাসে রাখতে পারেন মানি প্ল্যান্ট। বসার ঘরের মেঝের মাঝেও বেশ মানিয়ে যাবে এটি। যদি একের অধিক জলচৌকি থাকে তবে শোবার ঘরে যেকোনো দেয়ালের সামনে চৌকি দুটি পাশাপাশি রেখে করতে পারেন বসার আয়োজন। পেছনে দুটি কুশন রেখে দিলেই ব্যস, সম্পূর্ণ হবে জলচৌকির ব্যবহারে অন্দরসাজ।

Post Top Ad

Responsive Ads Here