Header Ads

আগস্টে ফের হাসিনা-মোদি বৈঠক কাঠমান্ডুতে


আগামী মাসে কাঠমান্ডুতে ফের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হবে। এ বৈঠক হবে বিমসটেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টোরিয়াল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে। ৩০-৩১ আগস্ট এ সম্মেলনে বিমসটেকভুক্ত সাতটি দেশের সরকারপ্রধানরা অংশ নেবেন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনের আগে এটাই হবে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে শেষ বৈঠক।
সূত্র জানায়, সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে, মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি উইন মিন্ট, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপালা সিরিশেনা ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চ্যান ওছা উপস্থিত থাকবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি  মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সঙ্গেও তার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা। ফলে এ সম্মেলনের সময় রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা আলোচনায় প্রাধান্য পেতে পারে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ আগেই জানিয়েছিলেন, মিয়ানমারকে আগামী দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মধ্যে এ নিয়ে একই বছরে চারবার সাক্ষাৎ হয়েছে। সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে। তার আগে লন্ডনে কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনের সময় বৈঠক হয়েছিল। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন এ বছরের মার্চে হওয়ার কথা ছিল। পরে তা পিছিয়ে আগস্টে করা হয়েছে। গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদি বিমসটেক গোষ্ঠীর একবিংশ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, ‘অভিন্ন মূল্যবোধ আমাদের মৈত্রী ও সহযোগিতা আরও বাড়াবে। যার মাধ্যমে এ অঞ্চলের সর্বাপেক্ষা নবীন ও দ্রুতগতিতে বিকাশমান দেশগুলোর আর্থিক মান উন্নয়ন ঘটাবে।’ সার্ক সম্মেলন অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় এখন বিমসটেকই হয়ে উঠেছে প্রধান আঞ্চলিক সহযোগিতা মাধ্যম। যার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মেলবন্ধন গড়ে উঠবে বলে মনে করেন কূটনীতিকরা।

No comments

Powered by Blogger.