Header Ads

রাসূল (সা.)-কে স্বপ্নে দেখার বিষয়টি কতটা সত্য?

আল্লাহ এই পৃথিবীতে যা কিছু সৃষ্টি করেছেন, তা মানুষের কল্যাণের জন্য। আর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন আল্লাহর তৌহিদকে বাস্তবায়ন করার জন্য। সেটি আল্লাহতায়ালা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। কোনো সন্দেহ নেই, রাসূলুল্লাহ (সা.) এই ভালোবাসা ইমানের দলিল, রাসূল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা আমাদের থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তির অন্তরের মধ্যে যদি রাসূলের (সা.) প্রতি ভালোবাসা না থাকে, তাহলে সে ইমানদার হতে পারবে না। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।প্রশ্ন : রাসূল (সা.) কি স্বপ্নে এসে কাউকে উপদেশ দিতে পারবেন? উত্তর : হ্যাঁ। রাসূল (সা.)-কে স্বপ্নে দেখা জায়েজ, বৈধ ও তাঁকে বাস্তব দেখা যায়। এটি প্রমাণিত হয়েছে। এটি রাসূল (সা.)-এর হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে। ‘যে আমাকে স্বপ্নের মধ্যে দেখল, সে সত্যিকার আমাকেই দেখল।’ তাই রাসূল (সা.)-কে স্বপ্নে দেখা বৈধ বিষয়। স্বপ্নে রাসূল (সা.)-কে যদি কেউ দেখেন, তাহলে তাঁকে রাসূল (সা.) কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে উপদেশ দিতেও পারেন। এটাও জায়েজ। তবে শরিয়ার কোনো বিষয়ে, রাসূল (সা.) যেগুলো নির্দেশ দিয়ে গেছেন, সেগুলোর বিপরীত নির্দেশনা তাঁকে দেবেন না। যদি বিপরীত কোনো নির্দেশনা আসে, তাহলে বুঝতে হবে তিনি আল্লাহর নবী (সা.)-কে স্বপ্নে দেখেননি, অন্য কাউকে স্বপ্নে দেখেছেন। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। সেটি হলো, রাসূল (সা.)-কে স্বপ্নে দেখার বিষয়টি সেভাবেই হতে হবে, যেভাবে রাসূল (সা.)-এর অবয়ব, শারীরিক কাঠামো, হুলিয়া মুবারক বর্ণিত হয়েছে। হুবহু সেভাবে যদি কেউ না দেখেন, তাহলে তিনি রাসূল (সা.)-কে স্বপ্নে দেখেননি। হতে পারে শয়তান তাঁকে ওয়াসওসা দিয়েছে। তাই যিনি স্বপ্নে দেখবেন, তিনি হুবহু রাসূল (সা.)-এর শারীরিক কাঠামো সম্পর্কে, শামায়েলে যেভাবে এসেছে, ঠিক সেভাবে যদি মেলে, তাহলেই সত্যিকার অর্থে তিনি রাসূল (সা.)-কে স্বপ্নে দেখেছেন।

No comments

Powered by Blogger.