Header Ads

যে ১৩টি খাবার কখনোই দ্বিতীয়বার গরম করে খাবেন না

অল্প অল্প করে টাকা জমানোর অভ্যাস রপ্ত করুন আজ থেকেই, ছবি: কে এন দেয়া।  অযাচিত খরচ করা বন্ধ করে ফেলুন অতিরিক্ত ব্যয়বহুল পোশাক, জুতো, রোদচশমা কিংবা গহনার চলন্ত বিলবোর্ড হবার কোন দরকার নেই। নিজস্ব বাড়ি এবং গাড়িকে এমনভাবে সাজানোর কী দরকার যখন সেটি আপনার মাসিক বাজেটকে অতিক্রম করে ফেলে? আপনি যদি সত্যিই সম্পদশালী হতে চান তবে এ অভ্যাস গড়ে তুলুন। আপনাকে অবশ্যই অপ্রয়োজনীয় খরচ করা এড়িয়ে চলতে হবে এবং প্রতি মাসেই নির্দিষ্ট পরিমাণে কিছু অর্থ সঞ্চয় করতে হবে। আজ থেকেই না হয় শুরু করুন এ অভ্যাস? কঠোর পরিশ্রম করে ব্যক্তিগত আয় বৃদ্ধি করুন শুনে ভড়কে গিয়েছেন? কীভাবে বাড়াবেন  ব্যক্তিগত আয়? আপনি যদি নয়টা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত চাকরী করেন তাহলে নিজের বর্তমান ক্যারিয়ারের দিকেই মনোনিবেশ করুন। কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অর্জন ধীরে ধীরে উন্নত করার চেষ্টা শুরু করুন আজ থেকেই। চাকরীকে শুধুমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে গ্রাহ্য না করে ক্যারিয়ার উন্নত করার সূচক হিসেবে গ্রহণ করুন। সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করুন এটির প্রতি, তবেই আপনি ভালো কিছু করার আশা করতে পারবেন।
আত্মবিনিয়োগ করুন পড়াশোনা শেষ করে সন্তোষজনক ডিগ্রী অর্জন করুন। আপনি যদি পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করেন তাহলে সে আয় দিয়ে নিজস্ব খরচ নির্বাহ করুন। আপনি চাইলে নতুন কোন কাজ শিখতে পারেন কিংবা নতুনভাবে নিজের দিকে মনোযোগ দিতে পারেন। যেমন- স্বাস্থ্যমসম্মত খাবার খাওয়া, শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলা।  এ অভ্যাসগুলো গড়ে তোলার মাধ্যমে আপনি শুধুমাত্র নিজের আত্মবিশ্বাস এবং কর্মঠই করবেন না, বরং এর সঙ্গে আপনার প্রফেশনাল আয় বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি খুব দ্রুত সম্পদশালী হয়ে উঠবেন। সঞ্চয়ী হোন অন্য কোন কৌশল অবলম্বন করতে যত সময়ই নেন না কেন আপনি, এটি আজ থেকেই আরম্ভ করুন। বাবা-মা কিংবা শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করে দেখুন যে কোন প্রক্রিয়ায় আপনি খুব দ্রুত সম্পদশালী হয়ে উঠতে পারবেন। প্রতি মাসে অন্তত ১,৫০০ টাকা জমান এবং ধীরে ধীরে এর পরিমাণ বাড়ান। এক বছরের মধ্যে দেখবেন বেশ অনেক পরিমাণ টাকা জমে গিয়েছে। অযথা যেকোন খরচ বাদ দিলে খুব সহজেই কোন ধরনের ঝক্কি ছাড়াই আপনি অর্থ সঞ্চয় করতে পারবেন। বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করুন হাতের কাছে কিছু টাকা জমানোর পর সেগুলো বিনিয়োগ করার সুযোগ খুঁজুন। আমাদের আশেপাশে এমন অনেক সংস্থাই আছে কিন্তু সেগুলোর ব্যাপারে আমরা খুব একটা জানিনা। প্রযুক্তি সম্পর্কিত কোন স্টার্ট-আপ কোম্পানি কিংবা ছোটখাটো ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতে পারেন যেগুলো মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে। তাদের সঙ্গে কথা বলুন এবং শেয়ারহোল্ডার হিসেবে বিনিয়োগ করুন। অবশ্যই, ভালো মত খোঁজ নিয়ে তারপরেই কাজগুলো সম্পাদন করবেন। বড় বড় স্বপ্ন দেখতে কোন মানা নেই। অল্প বয়সে সম্পদশালী হবার জন্যে হাজার হাজার উপায় আছে। সৎ পথে চলুন, নির্দিষ্ট কিছু কৌশল খুঁজুন এবং সেগুলোতেই সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করুন। শুভকামনা রইলো।

No comments

Powered by Blogger.