Header Ads

রাসুল (সাঃ)র মতে রমজানে এই চার কাজ অবশ্যক করণীয়

পৃথিবীজুড়ে ১৬০ কোটি মুসলমান রোজার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে নিজেদের নিবেদন করেন। তাঁদের এ আত্মনিবেদনের পেছনে থাকে না কোনো ইহলৌকিক চাওয়া। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টিই কেবল চেয়ে থাকেন মুমিনরা। আল্লাহ তাআলাও মুমিনদের এ ভালোবাসাকে কবুল করে নিয়ে জান্নাতি প্রতিদান দিয়ে তাঁদের জীবনকে কানায় কানায় পূর্ণ করে দেন। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমান ও সাওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখে, আল্লাহ তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেন। ’ (বুখারি ও মুসলিম) রোজার ব্যাপারে ইসলাম কঠোর অবস্থানে। রোজা অস্বীকারকারী কাফির। রোজা পরিত্যাগকারী ফাসেক। কেউ যদি ইচ্ছাকৃত একটি রোজাও ছেড়ে দেয়, তাহলে তাকে এর জন্য কাফফারা দিতে হবে। কাজাও আদায় করতে হবে। কেন এত কঠোরতা? কারণ রোজায় রয়েছে মানুষের জন্য প্রভূত কল্যাণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রোজা রাখো, তোমরা সুস্থ থাকবে। ’ (মুসনাদে আহমাদ) কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা অধিক পরিমাণে ইসতেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা। কালেমা শাহাদাতের জিকির এবং অধিক পরিমাণে তাওবা ইসতেগফার আল্লাহ তাআলার দরবারে অতি পছন্দনীয় কাজ। জান্নাত লাভের আশা করা; এবং জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের প্রার্থনা করা। এ দুটি বিষয় এমন, যা তোমাদের (মুসলিম উম্মাহর) জন্য একান্ত জরুরি।’ (ইবনে খুজাইমা) হাদিসে এসেছে যে ব্যক্তি প্রতিদিন তিনবার জান্নাত লাভ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির প্রার্থনা করবে; জান্নাত ও জাহান্নাম ওই ব্যক্তির জান্নাত প্রাপ্তিতে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করতে থাকবে। তাই মুসলিম উম্মাহর উচিত এ মাসে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়া-اَللَّهُمَّ اَدْخِلْنَا الْجَنَّةَ و وَ نَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আদখিলনাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনান নার।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমাদিগকে বেহেশত দান করুন এবং আমাদিগকে দোজখ হতে মুক্তি দান করুন। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মাগফিরাতের দশকের প্রথম দিন থেকেই এ চারটি বিষয়ের প্রতি যথাযথ যত্নবান হওয়ার তাওফিক দান করুন। জান্নাত লাভে এ দোয়াটি বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘এই মাসে চারটি কাজ অবশ্যক করণীয়। দুটি কাজ তো এমন যে, তার দ্বারা তোমাদের প্রতিপালক সন্তুষ্ট হন। আর অবশিষ্ট দুটি এমন, যা ছাড়া তোমাদের কোনো গত্যন্তর নেই।

No comments

Powered by Blogger.