Header Ads

বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনী নারী ক্রীড়াবিদ

অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিকসহ সর্বক্ষেত্রেই বর্তমানে নারীরা নিজেদেরকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। রক্ষণশীল সমাজের গন্ডি থেকে বেরিয়ে খেলাধুলাতেও রয়েছে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। ফুটবল, ক্রিকেট, টেনিস, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, হ্যান্ডবল, কার রেসিং, গলফ, অ্যাথলেটিক্সসহ সব ধরনের খেলায় দুর্দান্ত পারদর্শিতা প্রদর্শনের মাধ্যমে একের পর এক ইতিহাস রচনা করে চলেছেন নারী ক্রীড়াবিদরা।

একই সঙ্গে সমৃদ্ধ হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাস। অর্জন করেছেন সুনাম-সুখ্যাতি। পুরুষদের মতো নারী ক্রীড়াবিদদেরও রয়েছে কোটি কোটি ভক্ত। তারা হয়ে উঠেছেন নতুন প্রজন্মের জন্য রোল মডেল, অনুপ্রেরণার নাম। তারকা খ্যাতি অর্জনের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অর্থও উপার্জন করছেন এই নারী ক্রীড়াবিদরা। উচ্চ বেতন, স্পন্সরশিপ, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও পরিধেয় বিক্রির মাধ্যমে এখন অনেক অর্থই আয় করে থাকেন নারীরা অ্যাথলেটরা। শুধু তাই নয়, এই অর্থ উপার্জনের দিক দিয়ে সফল পুরুষ ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে সমান তালে পাল্লাও দিচ্ছেন নারীরা।

ক্রীড়াঙ্গনে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে সাধারণত গলফকেই এগিয়ে রাখা হয়। এর পরের অবস্থানে টেনিস। আধুনিক ক্রীড়াক্ষেত্রে টেনিসে অর্থের ঝনঝনানি বেশ। এ কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রীড়াবিদের তালিকা করলে সেখানে টেনিস তারকারাই এগিয়ে থাকেন। সম্প্রতি ক্রীড়াবিশ্বে নারী ক্রীড়াবিদদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কারা সে তালিকা করা হয়েছে। এখানে জয়জয়কার টেনিস তারকাদের। সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী নারী ক্রীড়াবিদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে শীর্ষ দশজনের মধ্যে সাতজনই টেনিস তারকা। অন্য তিনজনের দু'জন মোটর রেসার এবং অপরজন গলফ তারকা।

তারকা ও ধনী এই নারী ক্রীড়াবিদদের আয়-ব্যয় নিয়ে জানার আগ্রহ রয়েছে ভক্তদেরও। পাঠকদের সেই আগ্রহের কথা চিন্তা করেই সর্বোচ্চ আয়ের শীর্ষ দশ নারী ক্রীড়াবিদদের নিয়ে আজকের এই আয়োজন। চলুন জেনে নিই অর্থ আয়ের দিকে তেকে শীর্ষ ১০ নারী খেলোয়াড় কারা!

১০. আগ্নিয়েস্কা রাদওয়ান্সকা: আগ্নিয়েস্কা রাদওয়ান্সকা। পোল্যান্ডের তারকা টেনিস খেলোয়াড়। ২০০৫ সালে টেনিসে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন পোলিশ এই নারী ক্রীড়াবিদ। গত এক যুগে আগ্নিয়েস্কা সিঙ্গেলস জিতেছেন ২০টি এবং ডাবলস জিতেছেন দুটি। বর্তমানে বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে সাত নম্বরে অবস্থান করছেন তিনি। পোলিশ এই তারকা টেনিস কন্যা বছরে আয় করেন ১০ মিলিয়ন ডলার। তার নিট আয় ২৩ মিলিয়ন ডলার। শীর্ষ ১০ নারী ধনী ক্রীড়াবিদের মধ্যে আগ্নিয়েস্কা রাদওয়ান্সকার অবস্থান ১০ নম্বরে।

৯. মার্টিনা হিঙ্গিস: মার্টিনা হিঙ্গিস। বলা হয়ে থাকে, সুইস টেনিসে সর্বকালের সেরা নারী টেনিস খেলোয়াড় তিনি। ১২ বছর বয়সে টেনিসে পথচলা শুরু তার। ১৯৯৩ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের জুনিয়র শিরোপা জিতে নিয়ে বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়েছিলেন তিনি। ষোড়শ জন্মদিনের তিন মাস আগে সর্বকনিষ্ঠ টেনিস তারকা হিসেবে জিতে নেন গ্র্যান্ডস্ল্যাম। ২০১৭ সাল পর্যন্ত তার নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ৮১টি শিরোপা। মাঝে অ্যাঙ্কেল চোটের কারণে ২০০৩ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে অবসর নিয়েছিলেন পাঁচটি গ্র্যান্ডস্লাম জয়ী এই সুইস তারকা।

টেনিসের টানে অবশ্য ফিরে এসেছিলেন তিন বছর পরই। কিন্তু ২০০৭ সালে ড্রাগ নেওয়ার অভিযোগ উঠলে আবারও অবসরের ঘোষণা দেন। হিঙ্গিস নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশন তাকে দুই বছর নিষিদ্ধ করে। এরপর ছয় বছরের অবসর ভেঙে ২০১৩ সালে দ্বিতীয় দফায় টেনিস কোর্টে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। সে বছরই আন্তর্জাতিক টেনিস হল অব ফেমে জায়গা করে নেন তিনি। এরপর ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে সুইজারল্যান্ডের হয়ে সিলভার মেডেলও জেতেন তিনি।

শীর্ষ ১০ নারী ক্রীড়াবিদের তালিকায় মার্টিনা হিঙ্গিসের অবস্থান নয় নম্বরে। এই সুইস টেনিস তারকার নিট আয় ২৫ মিলিয়ন ডলার।

৮. আনিকা সোরেন্সটাম: আননিকা সোরেন্সটাম। তাকে বলা হয়ে থাকে, সবচেয়ে সফল নারী গলফার। ক্যারিয়ার শুরু করেন ১৯৯৪ সালে। সেই থেকে ২০০৮ সালে অবসর নেওয়ার আগ পর্যন্ত ৮৯টি মেজর শিরোপা ঝুলিতে পুরেছেন সোরেন্সটাম। ২০০৩ সালে বিশ্ব গলফের হল অব ফেমেও জায়গা করে নেন তিনি।

৪৬ বছর বয়সী এই নারী গলফার জায়গা করে নিয়েছেন শীর্ষ ১০ ধনী নারী ক্রীড়াবিদের তালিকাতেও। সেখানে তার অবস্থান আট নম্বরে। সোরেন্সটামের নিট আয় ৪০ মিলিয়ন ডলার।

৭. লি না: ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়া ওপেনের ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে সর্বপ্রথম আলো ছড়ান লি না। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে চমক সৃষ্টিও করেছিলেন চীনের এই তারকা টেনিস কন্যা। সেখানেই থেমে থাকেননি তিনি। ২০১১ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতে নিয়ে মহাতারকায় পরিণত হন তিনি। এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র গ্র্যান্ডস্লাম বিজয়ী তারকা লি না ২০১১ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের পাশাপাশি উঠেছিলেন আরও দুটি গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে।

লি নার ক্যারিয়ার সেরা র‍্যাংকিং ছিল দুই। ২০১৪ সালে অবসর নেওয়ার আগে জিতেছেন আটটি ডাব্লিউটিএ এবং ১৯টি আইটিএফ শিরোপা৷ ২০১৪ সালে চীনের এই টেনিস কন্যা জায়গা করে নেন ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা সর্বোচ্চ আয় করা নারীদের তালিকাতে। সে বছর তার আয় ছিল ২৩.৬ মিলিয়ন। লি নার নিট আয় ৫০ মিলিয়ন। শীর্ষ ১০ ধনী নারী ক্রীড়াবিদের তালিকায় তার অবস্থান সাত নম্বরে।

৬. আনা কুর্নিকোভা: ক্যারিয়ারে একটিও সিঙ্গেলস শিরোপা না জিতেও যে টেনিস তারকা হওয়া যায়, আনা কুর্নিকোভা তার বড় প্রমাণ। টেনিস জগতে সর্বকালের সেরা সুন্দরী এবং আবেদনময়ীদের নাম লিখতে বসলে রুশ তারকা কুর্নিকোভার নামটা আসবেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে টেনিসের র‌্যাকেট হাতে নিয়েছিলেন কুর্নিকোভা। ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে গ্র্যান্ডস্লামে অভিষেক। টেনিসবিশ্বে হইচই ফেলে দেন শুরুতেই।

অবশ্য পুরো ক্যারিয়ারে খুব বেশি সফলতা পাননি তিনি। ক্যারিয়ারে ১৬টি ডাবলস জিতলেও মেয়েদের এককে জিততে পারেননি একটিও শিরোপা। মার্টিনা হিঙ্গিসের সঙ্গে জুটি বেঁধে পরপর দু’বছর ইউএস ওপেন জিতেছিলেন এই রুশ সুন্দরী। অল্প বয়সে টেনিসকে বিদায় জানান কুর্নিকোভা। কোর্টের বাইরের উদ্দাম জীবনযাপন, প্রেম, আর নানা বিতর্কের রেশ ধরে আলোচনায় আছেন এখনও।

ক্যারিয়ারে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত র‌্যাংকিং ছিল আট। তবে টেনিস কোর্টে খুব বেশি সাফল্য না পাওয়ার জন্য অবশ্য কখনোই আক্ষেপ করতে হয়নি কুর্নিকোভাকে। টেনিসের কোর্ট ছেড়ে তিনি আকৃষ্ট হলেন বিজ্ঞাপন এবং অন্য জগতে। মডেলিং, স্পন্সর কিংবা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তার অর্থ উপার্জন এতটাই বেশি যে, এখনকার অনেক কোর্ট মাতানো তারকাই তার কাছে ম্লান। এই রুশ টেনিস কন্যার নিট আয় ৫০ মিলিয়ন। শীর্ষ ১০ ধনী নারী ক্রীড়াবিদের তালিকায় তার অবস্থান ছয় নম্বরে।

৫. ড্যানিকা প্যাট্রিক: যুক্তরাষ্ট্রের এই মোটর রেসার ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছেন জনপ্রিয়তার শিখরে। ২০০৫ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেকে নিজেকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। অভিষেকেই ইনডিকার রকি অব দ্য ইয়ার হয়ে চমকে দেন সবাইকে। তার সবচেয়ে বড় অর্জন ২০০৫-০৭ এবং ২০০৯ সালে সবচেয়ে জনপ্রিয় ইনডিকার নির্বাচিত হওয়া। ২৮ বছর বয়সী এই সুন্দরীর রয়েছে বিজ্ঞাপন জগতেও দারুণ কদর। ফলাফল শীর্ষ ১০ নারী ধনী ক্রীড়াবিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্যাট্রিকা। তার অবস্থান পাঁচ নম্বরে। ড্যানিকা প্যাট্রিকের নিট আয় ৬০ মিলিয়ন ডলার।

৪. ভেনাস উইলিয়ামস: ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক টেনিস ক্যারিয়ার শুরু। গত ২৩ বছরে জীবনের অনেক চড়াই-উতরাই দেখেছেন ভেনাস। ইনজুরি এবং বিরল ‘সোজোর্গেন সিনড্রম’ রোগে ভুগে এক সময় প্রায় হারিয়েই যেতে বসেছিলেন টেনিস থেকে। কিন্তু বরাবরই ঘুরে দাঁড়ানোর অদম্য নেশা যার, সেই ভেনাস এখন পর্যন্ত ঝুলিতে পুরেছেন ৪৯টি সিঙ্গেলস, ২৯টি ডাবলস (বোন সেরেনা উইলিয়ামসের সঙ্গে ছয়টি) এবং পাঁচটি অলিম্পিক পদক।

কখনো অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিততে না পারলেও সাতটি গ্র্যান্ডস্ল্যামজয়ী ভেনাস ২০০২ সালে প্রথম আফ্রো-আমেরিকান হিসেবে দখল করেছিলেন র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান। টেনিসের এই তারকা কন্যা জায়গা করে নিয়েছেন শীর্ষ ১০ ধনী নারী ক্রীড়াবিদের তালিকায়। এখানে তার অবস্থান চার নম্বরে। ভেনাসের নিট আয় ৭৫ মিলিয়ন ডলার!

৩. অ্যালেক্সিস দেজোরিয়া: আমেরিকার শীর্ষ ধনী ব্যক্তিত্ব জন পল দেজোরিয়ার কন্যা অ্যালেক্সিস দেজোরিয়া। আমেরিকার রেসিং কোর্টে ঝড় তোলা ৪০ বছর বয়সী এই নারী রেসার এখন পর্যন্ত জিতেছেন চারটি শিরোপা। মোটর রেসে তার ব্যবহৃত গাড়ির নাম টয়োটা কেমরি ফানি কার, যার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩৩০ মাইল।

বাবার মতো অ্যালেক্সিস দেজোরিয়াও উপার্জন করেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। এক সন্তানের মা অ্যালেক্সিসের নিট আয় ১০০ মিলিয়ন ডলার! শীর্ষ ১০ ধনী নারী ক্রীড়াবিদের তালিকায় তার অবস্থান তিন নম্বরে।

২. মারিয়া শারাপোভা: লাস্যময়ী রুশ টেনিস তারকা মারিয়া ইয়োরেভনা শারাপোভা। মূলত ডানহাতি কিন্তু সব্যসাচী এই তারকা ক্যারিয়ার শুরু করেন ২০০১ সালে। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ক্রমাগত সাফল্য পান তিনি।২০০৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে উইম্বলডন শিরোপা জিতে টেনিস বিশ্বে সোরগোল ফেলে দেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে উঠেছেন টেনিস র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে। পর্যায়ক্রমে জেতেন ইউএস ওপেন, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেনসহ অসংখ্য শিরোপা।

পাঁচটি গ্র্যান্ডস্লাম জয়ী এই রুশ কন্যা ‘ডোপ কেলেঙ্কারির’ কারণে টেনিস কোর্টের বাইরে ছিলেন ১৫ মাস। তবে চলতি বছরের আগস্টেই ১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে কোর্টে ফেরেন নারী টেনিসের ‘পোস্টার গার্ল’।

৬ ফুট ২ ইঞ্চি দীর্ঘ স্বর্ণকেশী এই রুশ সুন্দরী কোর্ট এবং কোর্টের বাইরে সবচেয়ে ফ্যাশনেবল তারকা হিসেবে আখ্যায়িত হন। ২০০৬ সালে রাশিয়ান ফেডারেশনের বর্ষসেরা মহিলা টেনিস খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন। পরের বছর বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী মহিলা খেলোয়াড়ের খেতাবেও ভূষিত হন এই রুশ কন্যা। টেনিস জগত ছাড়াও মডেলিং এবং বিজ্ঞাপন জগতে তার কদর বিশ্বব্যাপী। নামিদামি সব বহুজাতিক কোম্পানির মডেল তিনি।

তার আয়ও সবাইকে ছাড়িয়ে। রাশিয়ার এক নম্বর এই টেনিস কন্যার নিট আয় ১৩৫ মিলিয়ন ডলার। শীর্ষ ১০ ধনী নারী ক্রীড়াবিদের তালিকায় শারাপোভার অবস্থান দুই নম্বরে।

১. সেরেনা উইলিয়ামস: ১৯৯৫ সালে পেশাদার সার্কিটে পা রেখে প্রথম ১৪ বছরে জিতেছিলেন ১২টি গ্র্যান্ডস্ল্যাম। পরের ১১টি গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছেন মাত্র ছয় বছরে! বয়স বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ক্যারিয়ারের রেখাচিত্রটা যখন সবার নিম্নমুখী হয়, সেখানে ৩৫ বছর বয়সেও সেরেনার ক্যারিয়ারের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী! বড় বোন ভেনাস উইলিয়ামসের মতো চোট-অসুস্থতা নাছোড়বান্দার মতো পিছু নিয়েছিল সেরেনারও। ফুসফুসে রক্ত জমে গিয়েছিল। সেই দুঃসহ অবস্থা থেকেও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

২৩টি গ্র্যান্ডস্ল্যাম, ১৪টি ডাবলস এবং দুটি মিক্সড ডাবলসসহ মোট ৩৯ টি শিরোপা ঘরে তুলেছেন সেরেনা। এছাড়া অলিম্পিকে চারবার  স্বর্ণপদক জিতে নিয়েছেন সেরেনা। টেনিসের বাইরেও তারকাখ্যাতি রয়েছে এই মার্কিন কৃষ্ণ কন্যার। মডেল হিসেবে কাজ করছেন অনেকদিন ধরেই। বিশেষ করে চলচিত্র, ফ্যাশন ও টেলিভিশনে তার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এরই মধ্যে ‘অ্যানিরিস ক্লথিং’ নামের কোম্পানি খুলে বসেছেন তিনি। কণ্ঠ দিয়েছেন ‘দ্য সিমফোনস’ এর মতো জনপ্রিয় এনিমেশন মুভিতেও।

সব মিলিয়ে সবচেয়ে ধনী নারী ক্রীড়াবিদদের মধ্যে তার অবস্থান শীর্ষে। সেরেনা উইলিয়ামসের নিট আয় অবাক করার মতোই। বড় বোন ভেনাসের যেখানে নিট আয় ৭৫ মিলিয়ন সেখানে তার দিগুণের চেয়ে বেশি নিট আয় সেরেনার। তার আয় ১৬০ মিলিয়ন ডলার!

No comments

Powered by Blogger.