Header Ads

মাশরাফির কাছ থেকে ‘লাইসেন্স’ পেলেন সাইফরা

বয়সভিত্তিক ক্রিকেট দিয়েই মাশরাফি নামক ধ্রুবতারার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটের। অনূর্ধ্ব-১৭ দল থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ঢোকার আগেই মাশরাফি চলে এসেছিলেন জাতীয় দলে। ভবিষ্যতের তারকাদের জন্য মাশরাফি তাই অনুপ্রেরণার নাম। নিউজিল্যান্ডে আর কদিন পরেই শুরু হবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। তো যুবাদের বিশ্ব আসরে উত্তরসূরিদের কাছে মাশরাফির চাওয়া কী? মনের আনন্দে খেলা।

যুবাদের ২০১৬ বিশ্বকাপ হয়েছিল বাংলাদেশে। সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে না গেলে প্রথমবারের মতো যেকোনো পর্যায়ে কোনো বিশ্ব আসরের ফাইনালে উঠত বাংলাদেশ। উন্নতির গ্রাফটা ধরে রাখতে চাইলে এবার তো বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠা উচিত। কিন্তু মাশরাফি অনুজদের এমন চাপে ফেলতে রাজি নন। তাঁর আশা, তরুণ ক্রিকেটাররা যাই করুক, মনের আনন্দে করুক, ‘আমি ওদের মানসিকভাবে শক্ত থাকতে বলেছি। ওদের বলেছি মনের আনন্দে ক্রিকেট খেলতে। অনূর্ধ্ব-১৯ বলতে আমি বুঝি ওরা যত ফ্রি ক্রিকেট খেলবে, যত উপভোগ করবে, তত ভালো করবে। “আমাদের সেমি ফাইনালে যেতে হবে বা বিশ্বকাপ জিততে হবে”—এই প্রেসারটা ওদের না দেওয়া উচিত।’
মাশরাফি জানেন, বয়সভিত্তিক পর্যায়ে সাফল্য-ব্যর্থতায় কিছু যায়-আসে না। বরং এ ধরনের প্রতিযোগিতা যে উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়, সেটা যেন অর্জন করতে পারে সাইফ আহমেদ-আফিফ হোসেনরা। তাঁর ভাষ্য, ‘ওদের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলতে চাইলে...ওরা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে। তাই ওরা মাঠে পরিশ্রম করবে, মাঠে এক শ ভাগ দেবে, এতটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। কারণ, ওরাই চার বছর পরে বাংলাদেশকে (জাতীয় দল) প্রতিনিধিত্ব করবে। এখন যেন ওরা মনের আনন্দে খেলে এবং যেটা শেখার প্রয়োজন ভালো পারফরম্যান্স করার জন্য, তা যেন শিখতে পারে। ওরা ওখানে গিয়ে কাপ জিতল বা কী করল, এটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না।’
বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়কের কাছে কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটাও জেনে ফেলেছেন সাইফরা, ‘ওরা কী শিখছে এবং ওরা বাংলাদেশের হয়ে খেলছে এবং সেরাটা দিচ্ছে; এই অনুভূতি ওদের আছে কি না। ব্যক্তিগতভাবে কে কতটা ভালো করল, সেটাতে এমন কোনো গুরুত্ব নেই।’
দেশের অনেক ক্রিকেটারের প্রেরণার উৎস থেকে ‘লাইসেন্স অব ফান’ তো পেয়েই গেলেন বাংলাদেশের যুবারা। ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুব বিশ্বকাপে মনের আনন্দে খেলতেই হচ্ছে তাঁদের।

No comments

Powered by Blogger.