সময়ের আগেই বুড়ো করে দিচ্ছে যে অভ্যাসগুলি



সময়ের আগেই চামড়াগুলো কেমন যেন কুঁচকে যাচ্ছে। চেহারাটাও একটু ভারিক্কি হয়ে গিয়েছে।চোখের তলায় গভীরতা যেন একটু বেশিই বেড়ে গিয়েছে। বয়সের তুলনায় যেন একটু বেশিই বড় দেখাচ্ছে আপনাকে। চুলেও পাক ধরতে শুরু করেছে। এমনটা তো এই বয়সেই হওয়ার কথা নয়! তাহলে কেন হচ্ছে বলুন তো? হচ্ছে আপনারই কিছু অভ্যাসের জন্য। যার মাধ্যমে নিজের অজান্তেই বৃদ্ধাবস্থাকে নিমন্ত্রণ দিচ্ছেন আপনি। যেমন:

যৌনতার অভাব- শরীর থাকলে তার জৈবিক চাহিদাও থাকবে। যৌনতা প্রাপ্তবয়স্কের শরীরের পক্ষে খুবই জরুরি। এর মাধ্যমে এন্ডরফিন নামক একটি রাসায়নিক নির্গত হয়। যাতে মন ভাল রাখার উপাদান থাকে।

এতে ঘুমও খুব ভাল হয়। এছাড়া মিলনের ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। তাতে শরীর সুস্থ থাকে আর আপনার শরীরের বয়সও যেন থেমে যায় কিছু সময়ের জন্য।
অনিদ্রা- সাফল্যের ইঁদুর দৌড়ে অনেকেই ঘুমাতে ভুলে যান। অনেকের আবার বহু চেষ্টাতেও ঘুমের দেখা মেলে না। এমন অবস্থায় অবসাদ গ্রাস করে। নিদ্রা যত জমতে থাকে, ততই শরীরের বয়সও দ্বিগুণ হারে বাড়তে থাকে।

মিষ্টি- মিষ্টি খেতে অনেকেই ভালবাসেন। কিন্তু এ জিনিসটি জিহ্বার পক্ষে যত ভাল মনে হয় শরীরের পক্ষে ততটা কিন্তু ভাল নয়। যাঁর যত বেশি মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে তাঁর বয়স তত বেশি হারে বাড়তে থাকে।

খাদ্যাভ্যাস- খাবারে এখন চটক এসেছে। কিন্তু পিজ্জা, বার্গারের তাগিদে মানুষ শাক-সবজি খেতেই ভুলে যাচ্ছে। এই অভ্যাসেই বয়সের কাল হচ্ছে। অল্প বয়সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাচ্ছে।


শুচিবাই- পরিষ্কার থাকা ভাল। কিন্তু অতিরিক্ত পরিষ্কার থাকা ভাল নয়। বারবার হাত-পা-মুখ ধুলে তাতে ক্ষতি বই লাভ হয় না। এতে অল্প বয়সেই বেশি বুড়োটে দেখায়। ক্র্যাশ ডায়েটিংয়েও একই হাল হতে পারে।

শরীরচর্চা- শরীরচর্চাই সুস্থ শরীরের আসল চাবিকাঠি। কিন্তু ব্যস্ত সময়ে মানুষ সেটাই করতে ভুলে যান। কেউ কেউ আলস্যের কারণেও এ অভ্যাস ত্যাগ করেন। যাতে সময়ের তুলনায় বয়স বেশি হারে বাড়তে থাকে।

Comments