চলতি মাসে এসেছে ২৭৭৬ রোহিঙ্গা

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গাদের আসা কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। চলতি মাসে ৮৪৮ পরিবারের ২ হাজার ৭৭৬ জন রোহিঙ্গা কক্সবাজারের টেকনাফে এসেছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, গত ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও কিছুতেই রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ করা যাচ্ছে না। কোনো না কোনো পয়েন্ট দিয়ে তারা নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আসছে। কিন্তু আগের তুলনায় অনেকটা কমেছে।

ইউএনও মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন, টেকনাফে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের সেনা বাহিনীর ত্রাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এই মাসে ২ হাজার ৭৭৬ জন রোহিঙ্গাকে নয়াপাড়া শরণার্থীশিবিরে পাঠানো হয়েছে।

এ দিকে বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর টেকনাফের সাবরাং হারিয়াখালী ত্রাণকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আজ রোববার পাঁচটি পরিবারের ২২ রোহিঙ্গাকে প্রথমে সাবরাং ইউনিয়নের হারিয়াখালীতে সেনাবাহিনীর ত্রাণ কেন্দ্রে নেওয়া হয়। এরপর মানবিক সহায়তা ও প্রতিটি পরিবারকে চাল, ডাল, সুজি, চিনি, তেল, লবণ, ত্রিপল ও একটি করে কম্বল দিয়ে গাড়িতে করে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরে পাঠানো হয়েছে।

Comments